দুরুদ শরীফ সংক্রান্ত বিভিন্ন আদবের বর্ণনা

উৎস:
ইসলাহী নেসাব: যাদুস সাঈদ
হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে মিল্লাত, মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (র:)
এক. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র নাম লেখার সময় সালাত ও সালামও লিখবে। অর্থাৎ, পুরাটা লিখবে। (ফাযায়েলে দুরুদ ও সালাম)
দুই. এক ব্যক্তি হাদীস শরীফ লিখতো, কাগজ বাঁচানোর জন্য সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র নামের সঙ্গে দুরুদ শরীফ লিখতো না। ফলে তার হাতে পচন রোগ ধরে।
তিন. শাইখ ইবনে হাজার মাক্কী (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, একব্যক্তি শুধু সাল্লাল্লাহু আলাইহি লিখতো ওয়া সাল্লামা লিখতো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বপ্নযোগে তাকে বলেন যে, তুমি নিজেকে চল্লিশটি নেকী থেকে কেন বঞ্চিত করো! অর্থাৎ, ওয়া সাল্লামা-এর মধ্যে চারটি বর্ণ রয়েছে। প্রতি বর্ণে এক নেকী, আর প্রত্যেক নেকীতে দশগুন সওয়াব হয়, তাই ওয়া সাল্লামা শব্দে চল্লিশটি নেকী হয়। (ফাযায়েলে দুরুদ ও সালাম)
চার. দুরুদ শরীফ পাঠকারীর জন্য নিজের শরীর ও কাপড় পাক-পরিষ্কার রাখা সমীচীন।
পাঁচ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র নামের পূর্বে সায়্যিদিনা শব্দ বাড়ানো মুস্তাহাব এবং উত্তম। (দুররে মুখতার)
Leave a Reply